অর্ধচন্দ্রাকৃতি এক মখমলি কবিতা

হিউস্টন থেকে ফাল্গুনির ফোন। শনিবার ভোররাতে কলকাতা ঢুকছি। দশদিনের ছুটি। ফেরার দিন দু’শ পিস বলরামের গুড়ের জলভরা চাই। নিয়ে ফিরব। একটু দেখিস।

অগত্যা! তোড়জোড় শুরু করতে হল। ছোটবেলার বন্ধুর আবদার বলে কথা! কিছু একটা তো করতেই হবে। জাস্ট ভেবে দেখুন ব্যাপারটা। বন্ধুবর টেক্সাসে বসে অর্ডার দিয়ে যে বলরামের মিষ্টি পাবে না, এমন নয়। হয়ত প্যাকেজিং কস্ট, ক্যারিং কস্ট মিলিয়ে অনেকটা খরচ বাড়বে। কিন্তু দোরগোড়ায় পৌঁছে যাবে নিশ্চিত। অথচ হাজার ঝামেলা পোহাতে হোক, ফেরার সময় বাক্স ভরে বলরামের ঐ ট্রেডমার্ক সন্দেশ বগলদাবা করে না নিয়ে গেলেই নয়।

বলরাম মল্লিকের জলভরার বিশেষত্ব কি? নামীদামী যেদিকেই তাকান, জলভরা মানেই কড়া পাক। বলরামের ইনোভেশন’ হল এক ছাঁচের, এক পরতের নরম পাক। পাক্কা তিরিশ বছর ধরে একই ধারা অব্যাহত। কোনো কমা-বাড়া, ছোটো-বড় গল্প নেই। অর্ধচন্দ্রাকৃতি এক প্রেমের কবিতায় মশগুল গোটা দুনিয়া!

তিরিশ টাকায় নরম, অতুলনীয়, মুখে মিলিয়ে যাওয়া এক অনির্বচনীয় স্বাদ – ঠিক যেন মুখমলি এক কবিতা।

জলভরার যে গুড় আপনার মন মাতায়, স্বাদ কোরকে সরোদের মিষ্টি আবেশ তৈরি করে, তার যোগান আসে ঝাড়খণ্ড, নদীয়া, মুর্শিদাবাদ, এমনকি বাংলাদেশ থেকেও। তারপর মিষ্টি তৈরি হলে তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে ভারত-সহ আমেরিকা, লন্ডন, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া পৃথিবীর বহু দেশে। সেলফ লাইফ তিন থেকে চারদিন।

কলকাতায় বলরামের চারটে বিপণন কেন্দ্র থেকে বিয়ের মরশুমে প্রায় দশ হাজার জলভরা বেরোয়। আর শীতের সময় মোটামুটি পাঁচ থেকে ছ’হাজার।

ফাল্গুনির মিষ্টি রেডি। লং হল ফ্লাইটের ধকল নিতে পারে এমনভাবেই যত্ন করে প্যাকিং করে দিয়েছে বলরাম। এবার তা ডানা মেলবে হিউস্টনের আকাশে।

When Grape Stomping Becomes a Fiesta

Stomping, or crushing grapes (from French pigeage) by feet is an age-old trend. There are lots and lots of evidences that the practice of stepping on grapes in tubs, vats, or lagars to make wine has been running since last 8,000 years just to celebrate the advent of Spring. In 2017, scientists found some earthen wine pots decorated with images of grapes and a man dancing in Tbilisi, Georgia.

But why the best winemakers across the world still rely mostly on stomping grapes, especially when machine processing is prevalent?

“The foot crushing gets the fermentation going quicker and adds to the intensity,” Gary Robinson of California’s Left Bend Winery once quipped at tastingtable.com, a trendsetter food portal from New York. Stomping grapes is always a smooth process that avoids crushing grape seeds, resulting in a smoother flavor.

Experts say the foot provides more balance over the wine’s flavor quotient. It helps to reduce seed breaking and customize tannin structure which can create deep off and harsh flavors.

Grape Stomping @Vedic Village

I know quite a few Stomping festivals in Western India, including the Sulafest in Nashik. And since, this year the much-hyped Sulafest is not taking place, which was scheduled on 1st and 2nd February, 2022, Eastern Region’s one and only Grape Stomping event @ Vedic Village got the momentum. Vedic has been holding this signature event since last 5 years. But then, there was not much propagation behind it. This year, on 13th February, the fun fare and fiesta reached its zenith with more than 200 guests bore a pocket-pinch of Rs.1999 + tax to get an entry and enjoy the full day with unlimited Continental Brunch,  free-flowing, non-stop wine, huge spread of main course, Live DJ, and Live bands.

The afternoon party started with some grooving numbers and the sleepy-sloppy hamlet came back to life! The aroma of fresh wine and the guests tasting it with some delectable cold cuts under the sun makes me remind of John Keats, when he says, Give me books, French wine, fruit, fine weather and a little music played out of doors by somebody I do not know.”

A not-so-deep wooden well hosts the grape stomping, where the ripe grapes were pouring in at regular intervals helping the madness to get intensified. To add to the frenzy, there was the live nail arts corner and the ‘Ranpa’ performers in bright yellow attire catching the attention of the onlookers. The party buffs, who actually joined in search of some amazing food started queuing up outside the cold cuts corner. The Smoked Ham and Olive Skewers and the Chicken Liver Pate was out of the world. Though, to my mind, both the items deserve much more fancy display with some strategic luminaries. Then you’ve live grills, pasta, noodles, and pizza bar.

Reading through this, are you getting bored? Do you find this running commentary a bit mellow? Believe me, this picturesque party is not everyday affair. It is something that even a brilliant click can fail to describe the vibes. And I murmur to myself as I drive back home:

O, for a draught of vintage! that hath been

Cool’d a long age in the deep-delved earth,

Tasting of Flora and the country green,

Dance, and Provençal song, and sunburnt mirth!

Day’s Menu For the Food Enthusiasts:

Antipasti

Cheese | Salads | Cold Meats  | Jams | Dips | Crisps | Nuts

Cheese Platter

Mozzarella | Brie | Cheddar | Parmesan | Stilton  | Feta

Canapes – Veg | Non Veg

On – Crackers | Toasts | Papri  | Focaccia  | Pita

Cold Meat Skewers

Smoked Ham And Olive Skewers

Chicken Salami-Chilli-Mayonnaise

Steamed Chicken Sausages & Garlic

 Crispies

Cheese Straws   | Melba Toasts  | Sticks  | Home Made Nachos | Prawn Crackers

Cold Meats

Chicken Pepper Galantine | Chicken Terrine

Meat Loaf | Spiced Local Ham

Pate – Mushroom  | Chicken Liver

Terrine – Ham Hock And Mustard | Smoked Bekti

Salads

Steamed Chicken, Basil Mayonnaise & Avocado

Moroccan Spiced Olives , Lettuce , Balsamic Veggies

Mushrooms & Tender Beans

Three Beans Mille Feuille

Deviled Eggs

 Jams | Dips | Chutneys

Jams – Bacon  | Brown Onion | Dry Mango

Dips – Sour Cream And Onion  | Bbq Mayo  | Burnt Tomato

Chutneys – Prune | Blueberry

 Appetizers

Minced Lamb And Onion Patty

Chicken Scallion & Coriander Pate

Smoked Potatoes , Cheddar , Sour Cream

Cottage Cheese BBQ , Cilantro Mayo

Live Counters

Sandwich – Plain | Grilled | Open

Breads – Focaccia | Multigrain | Baguette | Brioche

Non Veg – Egg And Cheddar | Pickled Prawn , Hummus

Veg – Candid Tomato , Lettuce  | Spiced Coleslaw

 Grills

Non Veg Options: – Fish —  Cazun Blend | Chicken – Zattar Spiced

Vegetarian Options: Stuffed Cottage Cheese Steak | Mushroom Cap

Sausages – Chicken Cocktail  | Entally Masala Chicken   | Entally Masala Pork | Pickled Chicken

Sides

Feta – Onion Mash | Wilted Spinach | Sauteed Vegetables

Suaces: Bbq | Pan Gravy | Warm Grapes Compote

Fries: French Fries | Cajun Spiced Potato Wedges

 Pizzas & Pastas

Pizzas

Mixed Sausages, Onion And Fresh Coriander Leaves

Grilled Vegetables, Feta, Olives & Fresh Coriander Leaves.

Pastas

Three Types Of Pasta– Penne | Spaghetti | Farfelle

Sauces–Arrabiata | Pesto | Mornay

Choice Of Vegetables

Meat: Chicken

Fillers

Smoked Chicken Pilaf  |  Burnt Garlic Raita

Dal Live – Yellow  | Dal Makhani

Desi Eggs Live

Pan Fry Noodles –  Egg , Chicken , Veg

Desserts

Lemon Curd Basbousa | Assorted Fresh Cream Tarts | Sweet Curd Mousse

Dark Chocolate Opera Slices   | Milky Cheese Balls , Jaggery Flavour

Hot – Winter Carrot Pudding |  Sticky Date Pudding , Fudge Sauce

Sundae Counter Live – Ice Creams , Brownie , Toppings , Sauces

দোয়েল সন্দেশ যেন এক সুরেলা ভালবাসা!

ভোরবেলা জানলা খুলতেই মুখটা গোমড়া হল। মনটাও। আকাশটা ধূসর, মেঘলা। বেশ ঠাণ্ডা বাইরে। সাড়ে সাতটা বাজে। বোঝার উপায় নেই। এদিক-ওদিক তাকাচ্ছি – হঠাৎ দেখি, পাশের বাড়ির দোতলার কার্নিশে একটা অদ্ভুত পাখি! শিস দিচ্ছে, কি সুরেলা তার ডাক। নিশ্চয় দোয়েল। চকচকে নীলাভ কালো। ডানায় সাদা দাগ এবং কালচে বাদামি রঙ। আমার জানলা থেকে এটুকুই দেখা যাচ্ছে!

শুনেছি, ভোরবেলা পুরুষ দোয়েলের এই ডাক নাকি তার সঙ্গিনীটিকে প্রেম নিবেদন করার জন্য, আকৃষ্ট করার জন্য। কি অদ্ভুত! আজই তো প্রেম দিবস!

আর ঠিক তখনই, পড়ন্ত দুপুরে আরেক ‘দোয়েল’ প্রেমদিবসে নতুন এক স্বপ্নের জাল বুনলেন! দোয়েলের অনেকদিনের ইচ্ছে, তাঁর নামটি যদি চিরায়ত হয়। এমন কিছু, যা মানুষের মনে থেকে যায় ‘সুরেলা’ ভালোবাসা হয়ে!

বন্ধুর ইচ্ছেকে সম্মান জানাতে গৌতম নিয়ে এলেন এক অভিনব সৃষ্টি। দোয়েল সন্দেশ। বলরাম মল্লিক, নিউ আলিপুরে গেলেই পাবেন। মাসখানেক হল দোয়েল সন্দেশ বাজারে এসেছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় তাই এখনও কোনও রিভিউ নেই। কিন্তু একমাসের হিসেব, আউটলেট থেকে প্রায় পঞ্চাশ হাজার সন্দেশ ভ্যানিশ! জনমত হল, লাজবাব!

আমার কাছে দোয়েল সন্দেশ এক মিষ্টি প্রেম। এক মিহি ভালোবাসা। ওপরে শ্বেতশুভ্র দুধের ক্রিম। তার ঠিক নীচেই হালকা মিষ্টির কাঁচা পাকের সন্দেশ কাজু ও পেস্তার মিশ্রণে। সবে মুখে তুলেছি, স্বাদ পেতেই মনে এল,

এবার অবগুণ্ঠন খোলো।

গহন মেঘমায়ায় বিজন বনছায়ায়

তোমার আলসে অবলুণ্ঠন সারা হল।

পঁচিশ টাকায় এহেন ভালোবাসা থেকে বঞ্চিত হবেন না। অনুরোধ রইল।

Chicken Mandi, an Unforgettable Experience in Dubai

Once we came out of the dubaiframe after spending there for a couple of hours, we felt hungry. And as we were passing by Zabeel Park, my son prompted, “Dad, can we go to the other side of the road to try out Mandi at ZamZam?” I nodded in no time. And then realized, reaching there was not as easy as it looked like. Since you cannot cross the road at your will which we normally habituated to do in India, we had to take the proper path in a roundabout way of approximately 2 kilometres. This is the first outlet at Karama centre, Dubai incepted in 2009, just beside Lulu Hypermarket.

ZamZam Mandi started with an aim to bring in authentic Middle Eastern dining at a very cheap and affordable rate to the foodlovers of UAE.  It became a huge hit. Today they’ve 22 outlets spreading across the country including 8 in Dubai, 2 in Abu Dhabi and 3 in Sharjah with over 650 staff serving more than 24000 customers per day. Outside UAE, they’ve outlets in Muscat, Oman and trying to expand chains in India as well.

Chairman and founder Mr Shaijal Hussain, a man from Wayanad, Kerala first brought in Mandi in UAE. Shaijal came to study in UAE around 14 years back and started his journey in the food industry when the expats had very little idea about the taste & authenticity of this cuisine.

Shaijal is an entrepreneur who is cool, humble and opportunistic. His idea of serving traditional Arabic food in the most authentic taste and style of execution the same had made him separated from others. ZamZam is a Dubai Economic Department-registered Limited Liability Company that is immensely popular among Emiratis, business people, and expats in the region.

The Karama one, where we got in, was a two-storied restaurant on the roadside with options to enjoy separate family diners as well. It was lunch time and hence we took a platter combining of Green salad, Raw Hot Chicken Soup, Chicken Mandi and then Kunafa and Sweet Balls as dessert. I find their chicken soup completely different (both in colour and taste) compared to one we’re normally acquainted with in India. This soup is light with no added spice except salt   and smells raw meat. Also once you finish off this soup, you feel tremendous hungry. So, Chicken Mandi is an apt choice under the circumstances.  

Now, what is Chicken Mandi? Mandi, originated from Hadhramaut, Yemen, is a traditional dish in Middle East. This extremely popular staple dish in the entire Arabian Peninsula is an awesome combination of rice, chicken and a host of spices. Traditionally, Mandi is cooked in a tandoor. And hence, it is considered as healthy since it is prepared in less, or zero oil. Chicken pieces are big, nicely cooked with zero grease and hence get smothered nicely by the softest pressure of a jaw.

I had never heard of Kunafa before. It’s a traditional Arabian delicacy consisting of kataifi, a spun pastry soaked in sugar syrup and stacked with cheese or other ingredients like clotted cream, almonds, pistachio, rose water, or nuts. It is popular in Egypt, Turkey, Greece, and the Balkans. You feel heavy once you take a bite. My son liked it a lot, Though find it nothing extraordinaire.

Pics Courtesy: ZamZam & The Blogger (Subhasis Chatterjee)

AlBaik: A Feast for Your Tastebud

Founded by Shakour Abu Ghazalah and evolved in Jeddah, Hejaz, AlBaik is largest restaurant chain in Saudi Arabia which primarily sells friend and broasted chicken and serve them with a variety of sauces. AlBaik currently has trade name in more than 120 locations across the globe including some in India. I know they’ve franchise outlets in Delhi, Lucknow, Moradabad, Kanpur, Gorakhpur, RaeBareli, Bihar, Mumbai, Srinagar, Haridwar. But, not a single one in my city, where I live.

AlBaik means “Pick, choose and select,” in Arabian poetry.

So, when I was leaving for Dubai this time, AlBaik was in my “to do” list. On my second day in Dubai, we visited Dubai International Expo 2020 and decided to have our late lunch at AlBaik. Why late lunch? Because, we had a belly full of breakfast at the hotel!

There was a huge queue (of at least 150 people) outside the restaurant and I found no hope of getting food from there. But to my utter surprise, believe it or not, it took just 22 minutes literally for Ritwik, my son to reach to the delivery counter and get our food…fresh, hot and nicely packed.

We had chicken fillet nuggets, crispy chicken twisters, chicken zinger burgers and cheesy chicken (for me and my wife) and beef (for my son) wraps. And all of them are exceptionally good…easily comparable to KFC, or McDonald’s on any given day. Here I would like to add, in Middle East, people prefer AlBaik more than any brand available in the world market.

Now, where lays the difference?

  1. They broast chicken to provide customers with a healthier option. Broasting is done through pressure fryer. Here, the chicken has lesser calories and 40-70% lesser fat than the normal ones. Broasting just needs quarter cups of oil compared to 1.5 cups of oil to fry conventionally.
  2. They fry in 100% pure vegetable oil.
  3. Cheapest restaurants in its kind of food.
  4. They invested more on manpower, each areas (frontline, dining, and backline) in the restaurant are manned by a maximum of 2 staff which makes the service swifter. And they have a local worker which serves at the front door. The staffs are flexible and each one of them is ready to help you with anything you request for.

AlBaik, like other fast-paced restaurants, faced critical challenges.  But they had won over since they were consistent in quality of food and courteous service.

‘ছোটে মহারাজ’ যেন নিজেই বিগ্রহ!

পশ্চিমী সূর্যের কমলা রঙ তখনও ম্লান হয়ে যায়নি। তেরছা আলোয় কি অদ্ভুত প্রশান্তি বৃষ্টিবিধৌত ওই টেরাকোটা মন্দিরকে ঘিরে। পায়ে পায়ে যখন মন্দিরের কাছে পৌঁছলাম, আরতি শুরু হতে বিশেষ দেরি নেই।

বেশিদিনের পুরনো নয়। বছর ছয়েক আগে তৈরি। প্রায় লাখ খানেক ইট পুড়িয়ে বছরখানেকের চেষ্টায় এই মন্দির। তবু কেন জানি না, মন্দিরের সামনে দাঁড়ালে মনে হয়, কতদিনের পুরনো! পাদদেশে হালকা শ্যাওলা। মন্দিরের ছাদেও। অনেকটা বিষ্ণুপুর বা বাঁকুড়ার মন্দিরগুলোর ধাঁচে তৈরি। তবু কলকাতার অনতিদূরে এমন একটা মন্দির দেখে কেমন সম্ভ্রম জাগে।

শিখরপুরে আঁধার নামে। নিঃশব্দে এক এক করে জ্বলে ওঠে মন্দিরের আলো। কেমন একটা মায়াবী পরিবেশ তৈরি হয়। ঘোর ভাঙে পুরোহিতের মন্ত্রোচ্চারণে। কাঁসর-ঘণ্টার ধ্বনিতে। দেবস্থানে রাম-সীতার বিগ্রহ। কিন্তু এ কোন পুরোহিত! গেরুয়া বসনে পুরোহিতের আসনে যাঁকে মন্ত্রোচ্চারণ করতে দেখছি, সে তো একরত্তি কিশোর! কিশোর কি? এ তো শিশু!

আট বছরের আদিত্য মিশ্র এক নিঃশ্বাসে মন্ত্র আওড়ে চলেছেন। দ্বিধাহীন, দুর্নিবার গতিতে। মাঝে মাঝে হাঁপিয়ে উঠছেন। দম নিতে থামছেন। পাশ থেকে প্রবীণ পুরোহিতরা বলছেন, ‘পানি পি লো বেটা’। আদিত্যর সেকথায় ভ্রুক্ষেপ নেই। আবার মন্ত্রোচ্চারণ রেলগাড়ি। কচি মুখে বারবার ফুটে উঠছে জেদ। কঠোর কৃচ্ছসাধনের মৌলিকতা। তবু লক্ষ্যে অবিচল ছোট্ট একটি ছেলে।

বৈদিক ভিলেজ স্পা অ্যান্ড রিসোর্ট বেড়াতে এসে টেরাকোটা মন্দিরের এই ‘ছোটো মহারাজ’-কে না দেখে, তাঁর সন্ধ্যারতি না দেখে যদি বাড়ি ফিরে যান, তাহলে আপনি ঠকবেন! রিসোর্টের আনন্দ, উচ্ছলতার পাশাপাশি যে এক অপার করুণাময়, সময় থেমে যাওয়া অভিজ্ঞতা আপনাকে আলিঙ্গন করার জন্য অপেক্ষা করছে, এই টেরাকোটা মন্দিরের দরজায় এসে না দাঁড়ালে সেই অনুভূতি থেকে আপনি বঞ্চিত।

আর ‘ছোটে মহারাজ’! তাঁকে না হয় একবার চাক্ষুষ করেই দেখুন না, কি বিচিত্র ব্যঞ্জনায় মন-প্রাণ ভরে ওঠে!

শ্বেতশুভ্র স্বপ্নে বিভোর এক বনেদি বাঙালি

দিদা অমলাশঙ্কর ও প্রিয় জাকির হুসেইন জি- র সঙ্গে।

উত্তর কলকাতা তো বটেই, কলকাতার অন্যতম ‘সেরা বাঙালির’ সম্মান তিনি ইতিমধ্যেই পেয়েছেন কিনা জানা হয়নি। জানা হয়নি, উচ্চাঙ্গসঙ্গীত-সাগরে অবগাহন করেও কিভাবে এক ‘দিকভ্রষ্ট রাজপুত্র’-য়ের মত তিনি চলে এলেন পারিবারিক ব্যবসা সামলাতে। ‘বাঙালিয়ানা’, ‘বনেদিয়ানা’ – যে শব্দগুলো আজ তাদের পারিবারিক ব্যবসার সঙ্গে সমার্থক হয়ে গেছে, সেই সুপ্রাচীন, মহান ঐতিহ্যকে বাঁচিয়ে রাখতেই হয়ত এই আত্মত্যাগ!

কেসি দাশ-য়ের কর্ণধার ধীমান দাশ-কে হয়ত আজ অনেকেই চেনেন। কিন্তু ক’জন জানেন বিখ্যাত রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী শ্রী শৈলজারঞ্জন মজুমদার যখন তাঁর পিসি মঞ্জুলিকা দাশ কে রবীন্দ্র সংগীতে তালিম দিচ্ছেন, বাদ্যযন্ত্রের প্রতি গভীর অনুরাগ এর শুরু সেই তখন থেকেই। অথবা, দীর্ঘ ১৮ বছর বেনারস ঘরানায় তবলা প্রশিক্ষণের কাহিনী। কিংবা মামা আনন্দশঙ্কর কে ধীরে ধীরে নিজের গুরু র আসনে বসিয়ে ফেলা । আশ্বিনের এক পড়ন্ত বিকেলে সেই ‘অন্য ধীমান’-য়ের সঙ্গে এক অন্তরঙ্গ আলাপচারিতায় বারবার উঠে আসছিল তাঁর সঙ্গীত সাধনার কথা।

শান্তিনিকেতন থেকে শৈলজারঞ্জন এসে ‘প্রাচীন প্রবাহিনী’ নাম দিয়ে রবীন্দ্রসঙ্গীতের ক্লাস শুরু করলেন।সপ্তাহে দুদিন, সোম ও শুক্রবার। ঠাকুরদা সারদাচরণের কঠোর রক্ষণশীলতায় বেড়ে ওঠা ছোট্ট ধীমান-য়ের তাই বাড়ির বাইরে যাওয়ার হুকুম ছিল না। বাড়িতেই তাই তবলা, খোল, পাখোয়াজ-য়ের তালিম শুরু হয়ে গেল।

সারদাচরণ ছিলেন রাজাবাজার সায়েন্স কলেজের রিসার্চ অ্যাসিস্ট্যান্ট। সি ভি রমণের আমলে। ১৮৬৮ সালে বাগবাজারের কারখানায় রসগোল্লা তৈরি করে বাঙালিকে চমকে দেওয়া নবীন চন্দ্র-র ঐতিহ্য তাই নাতি সারদাচরণই নিজের কাঁধে তুলে নেন। পারিবারিক ব্যবসাকে নতুন দিশা দেওয়ার লক্ষ্যে। সারদাচরণ এর বাবা কৃষ্ণ চন্দ্র, ছেলের মধ্যে ব্যবসায়িক বুদ্ধি ও বিজ্ঞানসম্মত চিন্তাভাবনার ক্ষমতা লক্ষ্য করে, তাঁকে সঙ্গে নিয়ে ১৯৩০ এ কলকাতায় প্রথম টিনবন্দি রসগোল্লা এবং ১৯৩২ এ রসমালাই আবিষ্কার করেন। ১৯৩৫-য়ে ধর্মতলার শো-রুম নামাঙ্কিত হয় নবীন চন্দ্র-র ছেলে কৃষ্ণ চন্দ্র দাশ-য়ের নামে। সাহেব পাড়ায় (এসপ্লানেড ) দোকান, তাই নাম দেওয়া হল কেসি দাশ প্রাইভেট লিমিটেড। দু’বছর পর, ১৯৩৭-য়ে জাহাজে জাপান পাড়ি দেন সারদাচরণ। মিষ্টি ব্যবসায় আধুনিকতার ছোঁয়া আনতে। সেই প্রথম কলকাতায় মিষ্টি বেচা শুরু কার্ডবোর্ডের বাক্সে। জাপান থেকে প্রচুর হস্তশিল্প সামগ্রী নিয়ে ফিরলেন সারদাচরণ। নতুন প্যাকেজিং-য়ের শুভারম্ভ স্মরণীয় করে রাখতে ক্রেতাদের প্রত্যেকের হাতে তুলে দেওয়া হল জাপান থেকে আনা স্মারক। ১৯৪০ এ মিষ্টি উৎপাদনে যুগান্তকারী পরিবর্তন আনেন সারদাচরণ। চালু করেন বয়লার। যা আজও বাংলার মিষ্টি শিল্পের সঙ্গে যুক্ত মানুষেরা শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন।

সপরিবার ব্রিটিশ হাই কমিশনার আলেক্স এলিস দিল্লি থেকে উড়ে এলেন কে সি দাশ এর রসগোল্লা র স্বাদ পেতে।

একদিকে সাহিত্য-শিল্প। অন্যদিকে, প্রযুক্তিগত উৎকর্ষতার প্রতীক সারদাচরণের ভাবধারায় নিজের অজান্তেই অনুপ্রাণিত হয়ে ওঠেন কিশোর ধীমান। মাত্র চোদ্দ বছর বয়সে, ছিয়াশি থেকে দোকানে যাওয়া শুরু করেন। “’৮৬ থেকে ’৯৮, পূজোয় একটা ঠাকুরও দেখিনি। নতুন জামা পরে দোকানে এসে বসে থাকতাম”, বলছিলেন আধুনিক কেসি দাশ-য়ের রূপকার। ১৯৯৩য়ে মাত্র একুশ বছর বয়সে কোম্পানির ডিরেক্টর করে দেওয়া হয় তাঁকে। সে সময় বেশ টালমাটাল অবস্থা ছিল কেসি দাশ-য়ের। ভাবমূর্তিতে আঁচ লাগছে। এসপ্ল্যানেডের দোকানটা হঠাৎ ধূমপানের আখড়া হয়ে উঠল। কাষ্টমারদের সঙ্গে সঙ্গে দোকানের কর্মচারীরাও দেদার ধূমপান করত। রসগোল্লার মান পড়তির দিকে। ব্যবসাও ফিকে হয়ে এল। “শক্ত হাতে ধরা ছাড়া উপায় ছিল না। নাহলে এতদিনের তিল তিল করে গড়ে ওঠা বাঙালি ঐতিহ্য যে ছারখার হয়ে যেত। কোম্পানির বেশির ভাগ ডিরেক্টর সেসময় আমার কড়া মানসিকতার সমালোচনা করলেও, কাকা বীরেন্দ্রনাথ দাশ (৮৬ বছর বয়েসে যিনি এখনও কোম্পানি র চেয়ারম্যান ও ম্যানেজিং ডিরেক্টর) সর্বদা আমার পাশে ছিলেন।” মূলত কাকার সাহচর্যেই পরিস্থিতি আমূল বদলে দেন ধীমান। গঠনমূলক, কড়া ডিসিপ্লিন চালু করেন। নিজে ইন্টারভিউ নিয়ে যোগ্যতার ভিত্তিতে কর্মী নিয়োগ শুরু করেন। ‘ব্র্যান্ড ইমেজ’-কে গুরুত্ব দিয়ে কেসি দাস লেখায় এবং কর্মীদের পোশাক বানানো হয় লাল-সাদায়। আউটলেটে ক্রেতা সুবিধার্থে চালু করা হল ‘সেলফ সারভিস’। তারপর আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি।

দেশজুড়ে ২৩টি আউটলেট। ৭৫ রকমের মিষ্টির উৎপাদন। কেসি দাশ এখন বাঙালির ঐতিহ্য ও বনেদিয়ানার মেলবন্ধন। কিন্তু তার চেয়েও ধীমান এর বড় সাফল্য, ওড়িশা র ভুয়ো দাবি কে নস্যাৎ করে বাংলার একান্ত নিজস্ব রসগোল্লা শিল্পকে সর্বভারতীয় জিআই স্বীকৃতি এনে দেওয়া , ১৪ নভেম্বর, ২০১৭-য়।

কি হল তাঁর সঙ্গীত প্রেম-য়ের? নিজের রিংটোনে জাকির হোসেন, কলার টিউনে কিষাণ মহারাজ-জী ধরে রেখে, অথবা নিঝুম রাতে একা একা নিজের বিছানায় লাইভ শিপ্রা বসু অথবা পণ্ডিত ভীম সেন জোশি শুনতে শুনতেই কি তাঁর ভালবাসা, আর ভালো লাগা গুলোর অন্তর্জলি যাত্রা হয়ে যাবে? “না না, তা কেন? এই তো কয়েক বছর আগেই জয়রামবাটি-কামারপুকুরে সঙ্গত করলাম। জাকির হোসেন কলকাতায় এলেই আমার খোঁজ করেন, গুড়ের রসগোল্লার জন্য। কিষাণ মহারাজ-জী যেমন আমার কাছে ক্ষীরের চপ বা কেশর রাবড়ি না খেয়ে কলকাতা ছাড়তেন না। বেশ মনে আছে, একবার আশা ভোঁসলে দমদম এয়ারপোর্ট যাওয়ার আগে কড়াইশুঁটির কচুরি খাবেন বলে আমার কাছে হাজির হয়েছিলেন। এটাই বা কম কিসের!”

গাড়ির স্টিয়ারিং হাতে লম্বা দৌড়তে খুব ভালোবাসেন ধীমানবাবু। জার্মানির অটোভানে একবার মার্সিডিজ এস ক্লাস চালিয়েছিলেন। ঝড়ের গতিতে, ২৬৫ কিলোমিটার, প্রতি ঘন্টায়। তার দশ বছর পর ২০১৪-য় ঘাড়ের এক অস্ত্রোপচার বিভ্রাটে তাঁর গতিবিধি নিয়ন্ত্রিত হয়। এবছর আগস্টে আবার দৌড়। এবার দিগ্বিজয় করতে কলকাতা থেকে সোজা ব্যাঙ্গালোর। কলকাতা ফিরেছেনও টানা গাড়ি চালিয়ে। এই অদম্য মনের জোর আর নিপুণ সাংগঠনিক দক্ষতার জোরেই তিনি নতুন করে স্বপ্ন দেখছেন বিশ্বের দরবারে বাঙালিয়ানাকে পৌঁছে দেওয়ার। তাঁর ধোপ-দুরস্ত পোশাকের মতই শ্বেতশুভ্র লাগে তাঁর স্বপ্ন!

কি আশ্চর্য! তাই না?

ছবিঋণ: ধীমান দাস- এর ব্যক্তিগত অ্যালবাম থেকে

Vedic Village Scripts Calcutta Trails: A Cuisine Story

Exclusive Arena Above the Pool to Host Calcutta Trails

Some eat to live! Some live to eat! I, for one, have always considered myself to fall in the latter category. Now I do not proclaim myself to be a Gastronomist but I would go so far to say that if there was a subject called ‘Gastroeconomics’ (forgive my word play!) I would surely ace school. So what could be better for a food lover such as myself and many others like me than having a scrumptious meal in the lap of nature?

Here I introduce you to Vedic Village’s latest gastronomical adventure ‘Calcutta Trails: A Cuisine Story’ during puja, starting from Panchami (Sunday, 10th October) to Dashami (Friday, 15th October).

This holistic and diverse food trail is a part of Sharodiya Pujo Adda Milap 2021, which has it all starting with refreshing mocktails to filling main course. Let’s not forget their wide spread of salad and soups (definitely worth looking out for especially if you are watching your waistline). To finish it all off are some delicate desserts.

It would be a shame not to mention in specificity what such an exhaustive menu holds within it. Starting off with the refreshing mocktails, it constitutes of two variants- Fruit and Nut Lassi and Lemongrass Mojito. The Lassi is quite filling and for those looking for a lighter drink you can give the Lemongrass Mojito a go. The Salad spread is more than just the plan of regular greens comprising Aloo Kabuli Chat, Chicken Tikka Chat (a personal favorite), Egg and Roasted Bellpepper,  Laccha Piaz, Gondhoraj Lebu (lemon) and lanka (chili) to name a few. It also comes with an accompaniment bar bound to give the diner a feel of home with their aloo/ baingan (potato/brinjal) bharta, masoor daal, and jhuri bhaja. The soups consist of a Tomato Basil Shorba and Chicken Currypata Cream. It comes with assorted breads.

Coming to the main course buffet it is divided into 4 catogories. The Tangra Cuisine offers Vegetable Manchurain, Chilli Chicken, and Rice/Noodles. The traditional Bengali spread boasts of vegetarian dishes like Chanar Dalna, Kosha Aloor Dum. The non-veg spread have Chingri kakra paturi, Kosha Mangsho, and Pabdar Jhal not to forget the variety of dals, rice, and roti that accompany it. The Calcutta Street Live with the Vegetable Chop, Chicken Cutlet, Kathi Roll, and Ghoti Gorom is certainly a unique addition. I have to admit I might be biased to the Anglo-Indian spread featuring the Vegetable Tetrazini and Chicken Strognoff.

Ending on a sweet note, diners have a variety to choose from like the Golapi Rosomolai, Fruit Custard, Cream Caramel, and Mishti Doi. It also has an Ice Cream Bar and Live Jalebi making counter. You can finish the hearty meal off with a melodious mishti paan to reminiscence the good food and comfort your full stomach.

At Rs.1699 (all inclusive), this is one trail that no one, especially a foodie, should miss out on.

The Countdown Begins! Vedic Awaits a Grand Sharod Adda

As the blooming of white shankhphool (flowers) and the melodious rhythm of the dhak (drums) start resonating our heartbeats, the smell of Dhuno and Shankha (Conch) declare the advent of Sharodiya.

Forget about the mythology and divinity, streets of Kolkata will bustle with its older vibes in an attempt to restore normalcy as children, adults, and older people alike will step out in their fineries to pay respect to Ma Durga, one and half years being stuck indoors due to Pandemic. That is how, I think, our Durga Puja outshines almost any other festivity in terms of the life and light it bestows upon the City of Joy and in other parts of the Country and the World where it is celebrated with equal pomp and grandeur, second to none.

Having lived in Kolkata since my birth, there hasn’t been a year when I was not thrilled to celebrate Durga Puja with my family and friends. The Morning Anjali (offerings to the Goddess), Bhog (Special food preparation that is eaten after it is offered to the Goddess), Adda (chatting), and lots of fun activities for the ultimate Puja experience for me and several other. So what better than Kolkata’s finest getaway offering all these ultimate Pujo experiences under one roof that is bound to leave you asking for more?

The ‘Sharod Adda Milap 2021’ is an initiative by the Vedic Village Resort that gives you the opportunity to relish the auspicious festivities with your loved ones in the lap of nature. Commencing from 8th October 2021, this wholesome package includes a traditional Bengali Welcome to the guests, Buffet Breakfast and Lunch. In addition to food galore, this package has special activity. This icludes a Dhak / Sakhbajano competition and DhunuchiNach. It will feature Karaoke Night on Chaturthi and ChhauNaach/BaghNacch on Chaturthi as well as Panchami. On Sashti it boasts of a Musical Bollywood night, Saptami has Puppet Show, the guests will witness Folk Fusion musical show on Ashtami, Traditional Dandiya on Navami, and a spectacular Ram Leela with RavanVadh on Dashami. Guests will also have the opportunity to enjoy Live Band Performance on Ekadashi. Buggy Rides will be made available from 12th-14th October at an additional charge. The guests can enjoy the DJ nights in their exclusive V Den Lounge on all days with complimentary access to pool, Gym, Indoor sports and library! This holistic package offers special kids zone with activities like pottery making, and filmy tambola. Vedic Village also offers its guests an additional 20% discount on Spa therapies at Sanjeeva Ayurveda Wellness Center. So you can enjoy the festivities to the fullest while also having the opportunity to rejuvenate your body.

Asfar as accommodation is concerned, the rooms are categorized under Resort Rooms, Bungalow Rooms, and Villas. Under Resort Rooms the room categories include Superior Room (INR 10,999), Standard Suite (INR 11,999), and One Bedroom Suite (INR 12,999). The Bungalow Rooms include Resort Bungalow of 2 BR (INR 21,998), Aqua Home Bungalow of 3 BR (INR 35,997). The Earth Villa (INR 14,999) and Lake View Villa (INR 16,999) are also available. The cost of these rooms is on a per night basis.

Children below the age of 6 can enjoy a complimentary stay while those between the ages 6-12 will be charged @ INR 1999 including taxes per child including stay breakfast and lunch. Children above the age of 12 will be considered as adults and will be charged at INR 2999 for the same facilities as mentioned previously.

Their culinary outlet Bhoomi will offer several meal packages including ‘Calcutta Trails-A Cuisine Story’ (starting INR 1699), and Sharodiya Mahabhoj from 12 pm-4 pm starting at INR 1699. For connoisseurs of special beverages, not to worry as the V-Den will offer you the City’s Longest Happy Hours starting at INR 1999.

In addition to the already elaborate programs and delicacies spanning over the festival, the unique Sharod Adda Milap will be another attraction for the guests as it will offer Events and Activities spanning across DhunuchiNach, Karaoke Evenings, and SindoorKhela to mention a few. And for foodies like me, you have another reason to celebrate as you can enjoy lip-smacking Street food like Jhalmuri, Phuchka, Momo, Shingara, and much more! A food lover’s heaven indeed!

It is important to note that this package will be valid from 9th -17th October 2021. Given the pandemic at hand Vedic Village takes extra precaution to sanitize luggage, check temperature of visiting guests, as well as assuring that sanitary requirements are met at all times since the safety of their guests is their ultimate priority.

So come and avail this opportunity to enjoy the auspicious festivity with your loved ones as you enjoy a stay filled with fun, frolic, and food.

For more details on the package contact 9830025900/ 9874724448 / 033-66229900.

A Day at Bhoomi- An Ashram, Or A Paradise!

When the rain-soaked afternoon entices you to drive deep into a greener path, you feel lost! When the dusk is engulfed by raindrops playing on the sodden beds, you feel enchanted! And when the sound of a conch coming out of a wet terracotta temple welcomes you to be a part of a quiet evening, you become numb with religious thoughts!

This monsoon, on a weekend morning, forget everything in this mundane world, just drive in to a loveliest eco-tourism, the Vedic Village Spa Resort, nestled just 40 minutes away from heart of the city. I bet, my words of experience will come alive and will be reverberating in your ears.

People call it a ‘Wellness Resort.’ I call it an ‘Ashram’ with all modern facilities you can imagine. It gives you pure oxygen, it gives you much needed mental peace, and it gives you long-buried creative thoughts to evoke. What else do you need to rejuvenate? A city-dweller like me looking to escape the modern jungle that Kolkata is and to connect with nature in style, waits for years together to find such a getaway.

In keeping with the simplistic style of the resort, the restaurant ‘Bhoomi’ has been built as a two-storied mud house with a thatched roof. Kudos to the management for structuring the surroundings to resemble a village! The courtyard is the soul of this place completed with indigenous artwork carved in the walls and draws its inspiration from none other than the culturally-rich Shantiniketan, the home to Nobel laureate Rabindranath Tagore.

While at Vedic Village, I stumbled upon their restaurant Bhoomi, an ethnic eatery specializing in Bengali cuisine. Being an ardent foodie that I am, Bhoomi definitely occupied the top spot on my to-do list. Before I get on with the delectable delicacies at Bhoomi, I must take a moment to mention the awe-inspiring structure of this restaurant.

Now let’s get down to what you’ve been waiting for. The food, and the menu. Bhoomi is a haven of Bengali cuisine lovers. The place boasts of dishes from both sides of the river Padma (that is Bengali and Bangladeshi delicacies. A unique feature of Bhoomi that won me over was how the atmosphere blended perfectly with our food transporting us to a rural setting as if we belong to simpler times, giving us an opportunity to not just consume but connect with our roots. The delectable maach (fish), the irresistible kosha mangsho (mutton), and the comforting basanti pulao (a signature sweet rice preparation) are only a handful among a number of dishes that Bhoomi provides to its customers. Bhoomi also consciously takes care of its vegetarian guests offering a plethora of vegetarian dishes like chorchori and aloo r dom (potato curry) to choose from. Along with an Ala Carte menu, Bhoomi also offers vegetarian and non-vegetarian thalis.

I was served on earthen wares adding authenticity to the whole process. Starting off with the refreshing aampora sorbot (mango drink) will be a delight in the humid and gloomy afternoon. I followed it up with their Moghlai Porota (egg and meat stuffed Indian bread), Mangsho Chop (meat chop), Sukto (mixed vegetables), and finished off this wondrous meal with the delectable Rajbhog (Big Rasogolla), and Gurer Ice Cream (jaggery ice cream). I would also recommend you to try out their Dhokar Dalna, and Chittagong Murgi. Bhoomi also offers Daab Chingri and Illish Bhapa making it the ideal place to visit for a meal after a Bangal-Ghoti I-League clash. If the wide arena of food is not enough to impress you let me tell you of their unique Sushi but with a Bengali-twist! Using ingredients like illish, kasundi, and kalosorshe, their Bong-inspired sushi is a novelty.

Bhoomi is operational on all days except Thursday. Lunch is served from 12 noon to 4 PM while dinner commences from 7 PM onwards. A meal of 2 at Bhoomi comes at a very reasonable cost of Rs. 1500 (approx.). Bhoomi has taken Bengali gastronomy to a notch further with its Hilsa Chronicles where guests can pair delectable Hilsa dishes with wine! The place is a must visit for all who love food. To reserve a spot, contact: 8336955999 & 9830820447. I hope you enjoy your dining experience at this dining delight just as I did!

Pics Courtesy: Vedic Village Spa & Resort